অনলাইন ডেস্কঃ সম্প্রতি এই ঘটনা ঘটে সিলেটের খারপাড়ায়, ফেইসবুকে ভাইরাল হওয়া স্টেটাস টি হুবুহু তুলা দেওয়া হলোঃঃ-

মিতালী ১৫/এন (দুবাই টাওয়ার) খারপাড়া, সিলেট।

৬ তালা বাসা ১০ টা পরিবারের বাসায় পানি নাই ২ দিন থেকে। না এটা সিটি কর্পোরেশনের পানি সাপ্লাই এর সমস্যা না। অাজ মাসের ১৬ তারিখ বাসার অধিকাংশ মানুষ ভাড়া দিতে পারে নাই তাই মালিকের অাদেশে পানি সরবরাহ বন্ধ বাসায়। হ্যা ঠিকই শুনছেন অধিকাংশ মানুষ এই মাসের ভাড়া দিতে পারেন নি বলে পানি বন্ধ মালিকের অাদেশে।

দেশে যখন মহামারি চলছে মানুষ বাসা থেকে বের হতে পারছে না, মানুষের কাছে খাবার নাই, টাকা নাই রোজগার নাই সেসময় কিছু হুদয়বান মানুষ বাসা ভাড়া, দোকান ভাড়া মওকুফ/স্থগিত করে সবার পাশে থাকার চেষ্টা করছেন ঠিক তখন এই রকম মানুষ ও অাছে। এ বাসায় যারা অাছে তারা কেউই বাসা ভাড়া মওকুফ চায় না শুধু একটু সময় চায় দেশের এই মহামারিতে। তাই বলে পানির মতো একটা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ বন্ধ করে রাখা কি ধরনের মানসিকতা অামার জানা নাই। 🙂

বিঃদ্রঃ মালিকের ২-৩ টা বাসা অাছে মালিক থাকেন ও বিদেশ। অার এটা কপি পেস্ট না অামি অামি যে বাসায় থাকি সেই বাসার ঘটনা।

এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কাউন্সিলর জনাব শওকত আমিন তৌহিদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান এই মহামারি দূর্যোগের সময়ে আমাদের সকল কে অনেক বেশি মানবিক আচরণ করতে হবে।

ঐ বাসার ভাড়াটিয়ারা কেউই বাসা ভাড়া না দেওয়ার পক্ষে নন বা দিতে অস্বিকৃতি জানান নি কিন্তু তারা শুধু কয়েক সাপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন যাতে কিরে ২৫ তারিখ পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা বাসা ভাড়া পরিশোধ করতে পারেন কিন্তু বাড়ির কেয়ারটেকার পানি বন্ধ করে দিয়েছিল পরে আমার ও এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে আপাতত বিষয়টি সমাধান হয়েছে।

এলাকায় খোঁজ নিয়ে যানা যায়, বাসার মালিক একজন প্রবাসী ও তার আরো কয়েকটি বাসা আছে।

এছারাও ১৯ নং ওয়ার্ডের রায় নগর, বসুন্ধরা ৫ এ প্রায় ২০ টি কলোনি ঘরের বিদ্যুৎ বিলের মিটার কার্ড কাউন্সিলর মহোদয় নিজ উদ্দ্যোগে ব্যাবস্থা করে দেন।

এবং আরো এই ধরনের কোথাও কোন সমস্যা থাকলে উনার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন৷ উনি সমস্যা সমাধানে যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন বলে আমাদের কাছে প্রতিশ্রুতি দেন ৷

কাউন্সিলর মহোদয় সকলের প্রতি আরো বেশি মানবিক হওয়ার আহবান জানিয়েছেন